রবি ঠাকুর, গান্ধীর স্মৃতিবিজড়িত
উত্তরে বাতাস বইতে শুরু করলেই বাঙালির মন কেমন যেন উড়ু উড়ু হয়ে যায়। শীতের ছুটির প্রতিটি দুপুরেই কেমন যেন চারপাশ থেকে ভেসে আসে পিকনিকের গন্ধ। ঘুরতে যাওয়ার কথা বললেই যে সব সময়ে লোটাকম্বল গুছিয়ে দূরে ঘুরতে যেতে হবে, এমনটা কিন্তু নয়। হাতের কাছেই এমন অনেক জায়গা আছে, শুধু দু’চোখ মেলে দেখা হয়নি READ MORE
কলকাতা থেকে মাত্র দেড় ঘণ্টা দূরত্বে রয়েছে পানীহাটি শহর। শহর বললে ভুল হবে, পানিহাটি হল প্রাচীন একটি জনপদ। সংস্কৃত নাম ‘পুণ্যহট্ট’ থেকে এই জায়গার নাম হয় পানিহাটি। ১৮৭২ সালে ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়ে সপরিবার পানিহাটি এসেছিলেন রবি ঠাকুর। টানা প্রায় ৪৮ দিন গঙ্গার ধারের ছাতুবাবুর বাগানবাড়িতে এসে উঠেছিলেন তিনি। তাঁর ‘জীবনস্মৃতি’ বইয়ে এই পেনেটি বাগানবাড়ির উল্লেখ রয়েছে। এ ছাড়াও রয়েছে সোদপুর স্টেশনের গায়েই গান্ধীর স্মৃতি বিজড়িত প্রাচীন খাদি প্রতিষ্ঠান।
পানিহাটির মোচ্ছবতলার গঙ্গার সেই ঘাটে প্রতি বছর যে ‘চিঁড়ের মেলা’ হয়, তার শুরুটা হয়েছিল একটি দণ্ড বা শাস্তিকে কেন্দ্র করে। শ্রীনিত্যানন্দ সপ্তগ্রামের জমিদারকে কৃপাদণ্ড দেন যে বৈষ্ণবভক্তদের দই-চিঁড়ে সেবন করাতে হবে। এই ভাবেই দণ্ডমহোতসবের সূচনা। চৈতন্যদেব পুরীধাম থেকে ফেরার পথে এখানে এক বার বিশ্রামও নেন। বেশ কিছু দিন রাঘব পণ্ডিতের বাড়িতে বাসও করেছিলেন। এই সব নানা কারণে বৈষ্ণব ভক্তদের কাছেও এই স্থানের মাহাত্ম রয়েছে।

0 মন্তব্যসমূহ